রাশিয়ার সিইউএস কেন্দ্রের পরিচালক বলেছেন, তারা সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
![]() |
| রাশিয়া পারমাণবিক যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য একটি 'প্রলয়ঙ্করী' ড্রোন তৈরি করছে। (সূত্র: স্পুটনিক) |
রাশিয়ার সেন্টার ফর দ্য ডেভেলপমেন্ট অফ ইন্টিগ্রেটেড আনম্যানড সলিউশনস (সিইউএস)-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দিমিত্রি কুজিয়াকিন বলেছেন যে, রাশিয়ান বিশেষজ্ঞরা পারমাণবিক যুদ্ধের ক্ষেত্রে পারিপার্শ্বিক বিকিরণ পর্যবেক্ষণ করতে এবং সামরিক কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি ‘ডুমসডে’ ফার্স্ট-পার্সন ভিউ (এফপিভি) ড্রোন তৈরি করেছেন।
কুজিয়াকিন জানিয়েছেন যে, তিনি বিশ্বাস করেন যুক্তিরই জয় হবে এবং বিশ্ব পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার পরিহার করবে, আর রাশিয়ার ‘প্রলয়ঙ্করী ড্রোন’ কখনোই ব্যবহার করতে হবে না।
তবে, আমরা বিশ্বাস করি যে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্যও প্রস্তুতি না নেওয়াটা একটা অপরাধ হবে। আমাদের বিশেষজ্ঞরা খ্রুস্ট প্রকল্পের অংশ হিসেবে পারিপার্শ্বিক বিকিরণ পর্যবেক্ষণ করতে এবং সামরিক কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি 'ডুমসডে' ড্রোন তৈরি করেছেন।
জনাব কুজিয়াকিন ব্যাখ্যা করেছেন যে, এটি একটি ছোট ড্রোন যা এর কন্ট্রোল ইউনিটসহ সংরক্ষণ করা যায়।
‘ডুমসডে’ ডিভাইসটি সক্রিয় চালনা মোডে সর্বোচ্চ ২০ মিনিট পর্যন্ত উড়তে পারে। এর কার্যক্ষমতার পরিসীমা ভূখণ্ড এবং সংকেত প্রেরণের অবস্থার উপর নির্ভর করে, যা ৫০০ মিটার থেকে ২ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
পারমাণবিক যুদ্ধ প্রসঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন বারবার সতর্ক করে বলেছেন, "পশ্চিমা দেশগুলোকে অবশ্যই বুঝতে হবে যে, তাদের ভূখণ্ডের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম অস্ত্র আমাদেরও আছে। বর্তমান পরিস্থিতি পারমাণবিক সংঘাত এবং সভ্যতার ধ্বংসের দিকে নিয়ে যেতে পারে। তারা কি এটা বোঝে না?"
বর্তমানে রাশিয়ার কাছে বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক অস্ত্রাগার রয়েছে, যেখানে প্রায় ৬,০০০ ওয়ারহেড আছে। রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একত্রে বিশ্বের প্রায় ৯০% পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে, যা দিয়ে এই গ্রহকে বহুবার ধ্বংস করা সম্ভব।
[বিজ্ঞাপন_২]
উৎস: https://baoquocte.vn/nga-phat-trien-vu-khien-ngay-tan-the-su-dung-trong-chien-tranh-hat-nhan-281214.html








